
সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আজ বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডির নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ডিবির যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, একই দিনে খায়রুল হকের বিরুদ্ধে বিধি বহির্ভূতভাবে প্লট নেওয়ার অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে相關 নথি তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে খায়রুল হক এই প্লট বরাদ্দ নিয়েছেন—এমন অভিযোগের ভিত্তিতে দুদকের একটি অনুসন্ধান টিম আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর নথি চেয়ে চিঠি দিয়েছে।
চিঠিতে অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে ২০১০ সালের একটি স্মারকের যাবতীয় রেকর্ডপত্র জরুরি ভিত্তিতে সরবরাহ করতে বলা হয়েছে। দুদকের উপপরিচালক মো. মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে ৭ সদস্যের একটি টিম এই অনুসন্ধানের দায়িত্বে রয়েছে।
এর আগে, গত বছর এবিএম খায়রুল হকের বিরুদ্ধে ত্রয়োদশ সংশোধনী তথা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায়কে ‘দুর্নীতি ও বিদ্বেষমূলক’ এবং ‘বেআইনি’ রায় হিসেবে আখ্যায়িত করে শাহবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
এবিএম খায়রুল হক ২০১০ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।