
চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে ফেসবুকে প্রচারণা চালানো ও ভোট চাওয়ার অভিযোগে এক সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিস (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত মো. শামসুল ইসলাম দক্ষিণ সাতকানিয়া গোলামবারী মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রাম-১৫ সংসদীয় আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি (ইলেক্টোরাল এনকোয়ারি ও অ্যাডজুডিকেশন কমিটি) এই নোটিস জারি করে। কমিটির চেয়ারম্যান এবং যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ রূপন কুমার দাশ স্বাক্ষরিত নোটিসে ওই শিক্ষককে আগামী ১৯ জানুয়ারির মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
শোকজ নোটিসে উল্লেখ করা হয়, গত ৩১ ডিসেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রধান শিক্ষক মো. শামসুল ইসলাম একটি স্ট্যাটাস দেন। এতে তিনি লেখেন, “রেমিটেন্সযোদ্ধা প্রবাসী ভাইবোনদের প্রথম ভোট, আল্লাহর ওয়াস্তে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে হোক।”
নোটিসে বলা হয়, একজন সরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক হয়েও ভোটগ্রহণের তিন সপ্তাহ আগে তিনি এ ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন, যা সুস্পষ্টভাবে নির্বাচনী প্রচারণার শামিল। তার এই কর্মকাণ্ড সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা-২০২৫ এর বিধি ৩ ও ১৮ এর পরিপন্থী বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে। এ অবস্থায় কেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্বাচন কমিশনে সুপারিশ পাঠানো হবে না, সে বিষয়ে তাকে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে নির্বাচন সংক্রান্ত আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অভিযুক্তের কাছ থেকে শোকজের জবাব পাওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।