ফেনী : ফেনী জেলার ছাগলনাইয়াস্থ উত্তর যশপুর গ্রামে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ নুরুন নেওয়াজ হাই স্কুল-এর বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০১৮-এর পুরস্কার বিতরণী সম্পন্ন হয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোঃ মোজাম্মেল হক খান অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান, বাংলাদেশ ইকোনমিক জোন অথরিটি’র অতিরিক্ত সচিব ও নির্বাহী সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ আইয়ুব, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড-এর সদস্য (প্রশাসন) ও অতিরিক্ত সচিব ইয়াকুব আলী পাটওয়ারী, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)’র সদস্য পরিচালক (অর্থ) ও অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রনালয়ের উপ-সচিব খাদিজা নাজনীন, ফেনী জেলা প্রশাসক মনোজ কুমার রায়, ফেনী’র পুলিশ সুপার এস. এম. জাহাঙ্গীর আলম সরকার, ছাগলনাইয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহিদা ফাতেমা চৌধুরী, ছাগলনাইয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মেজবাউল হায়দার চৌধুরী এবং ছাগলনাইয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, জনাব এম. এম. মুর্শেদ পিপিএম এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা, চট্টগ্রাম চেম্বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও এনসিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোঃ নুরুন নেওয়াজ সেলিম।
উৎসবমুখর পরিবেশে স্কুলের কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীরা চৌকস কুচকাওয়াজের মাধ্যমে অতিথিদের স্বাগত জানায়। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে এই বিদ্যালয়ের সার্বিক কর্মকাণ্ডে সন্তোষ প্রকাশ করেন, ফেনী জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দেশের অন্যান্য অঞ্চলের জন্য একটি অনুকরণীয় আদর্শ হয়ে থাকবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, নুরুন নেওয়াজ সেলিমের পরিবারের একক উদ্যোগে যেভাবে এতগুলো প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে তা নিঃসন্দেহে ভূয়সী প্রসংশার দাবীদার; এরকম যদি প্রতি জেলায় একজন করে হিতৈষী ব্যক্তি এধরনের উদ্যোগ নেন, তবে দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে অনেক উন্নয়ন সাধন হবে।
তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত অভিভাবকবৃন্দ, এলাকাবাসী ও অন্যান্য অতিথিদেরকে দুর্নীতিবিরোধী এক ব্যাতিক্রমী শপৎবাক্য পাঠ করান এবং যার যার অবস্থানে দুর্নীতিকে প্রশ্রয় না দেয়ার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্য অতিথিবৃন্দও এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কর্মসূচি, পাঠদানের পদ্ধতি এবং অন্যান্য কার্যক্রমের ভূঁয়সী প্রশংসা করেন এবং বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ নুরুন নেওয়াজ সেলিমের সমাজহিতৈষী ও ব্যাতিক্রমধর্মী কর্মপ্রচেষ্টায় তাদের অকুণ্ঠ সমর্থন ব্যক্ত করেন।
পরে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিবৃন্দ ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ করেন। সবশেষে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।