শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২

চট্টগ্রামে বিপিএলের উদ্বোধন রোববার

| প্রকাশিতঃ ২৩ জুলাই ২০১৬ | ৬:৪৯ অপরাহ্ন

BPL Logoচট্টগ্রাম: জেবি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ফুটবলের উদ্বোধনী ম্যাচ শুরু হচ্ছে রোববার থেকে। এ উপলক্ষে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে আয়োজকরা। এম এ আজিজ স্টেডিয়াম ঘিরে নেয়া হয়েছে চার স্তরের নিরাপত্তা। এই আয়োজনের সার্বিক বিষয় নিয়ে শনিবার বিকেলে এম এ আজিজ স্টেডিয়াম মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

এতে জানানো হয়, প্রতিদিন দুইটি করে খেলা অনুষ্ঠিত হবে। খেলার উদ্বোধন করবেন প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র ও সিজেকেএস সাধারণ সম্পাদক আ.জ.ম. নাছির উদ্দীন। জনপ্রতি টিকিটের মূল্য রাখা হয়েছে ৬০ টাকা। এম এ আজিজ স্টেডিয়ামের বিভিন্ন টিকেট কাউন্টার হতে টিকেট সংগ্রহ করা যাবে। প্যাভিলিয়ন ভবন ও ভিআইপি গ্যালারীতে শুধুমাত্র প্রবেশ কার্ড ও প্যাভিলিয়ন সৌজন্য টিকেটের মাধ্যমে প্রবেশ করতে পারবেন। স্টেডিয়ামের প্যাভিলিয়ন ভবনের প্রবেশপথ দিয়ে কর্মকর্তাদের গাড়ি এবং অন্যান্য গেইট দিয়ে দর্শকবৃন্দ মাঠের গ্যালারীতে প্রবেশ করতে পারবেন। গ্যালারীর সকল গেইট খোলা থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, রোববার থেকে মাঠে গড়াবে ১২টি পেশাদার টিম। এবারে বাফুফে ঢাকার বাইরে প্রথম খেলা আয়োজন করতে যাচ্ছে। এবারে প্রথম বাফুফের স্বত্ত্ববিক্রি করছে ৪ বছরের জন্য ২০ কোটি টাকায়। এবছরে তাদের খরচ হবে ১০ কোটি টাকা। তারা ক্রীড়া প্রেমি বলে এত টাকা দিয়ে সহযোগীতা করছে।

তিনি বলেন, ক্রিকেটে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে গেছে। তার সাথে ফুটবলেও এগিয়ে যেতে এই খেলার আয়োজন করছে বাফুফে। ৬০ টাকার একটি টিকেটে এক সাথে দুটি খেলা দেখতে পারবে দর্শকরা। একটি খেলার পর বিনোদনের জন্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। খেলায় দর্শক সমাগম করতে বিভিন্ন ফুটবল ক্লাব ও সংগঠনকে দৈনিক ৫ হাজার টিকেট বিনামুল্যে দেওয়া হবে।

এদিকে এ টুর্নামেন্টের মাধ্যমে ফুটবলের হারানো অতীত ফিরিয়ে আনতে চায় বাফুফে। তাই এরই অংশ হিসেবে এবারের প্রিমিয়ার ফুটবল লিগ আয়োজন করা হয়েছে চট্টগ্রামসহ দেশের চারটি ভেন্যুতে। বর্ষার এই ভরা মৌসুমে ফুটবলে মেতে ওঠার অপেক্ষায় এখন চট্টলাবাসী।

ঢাকার বাইরে এবারেই প্রথম শুরু হতে যাওয়া দেশের ফুটবলের অন্যতম বড় আসর পেশাদার লিগ ঘিরে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ। ম্যাচ চলাকালীন নগরীকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রামের পুলিশ কমিশনার। পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট, র‌্যাব, বিজিবি, আনসারসহ সব বাহিনীর সমন্বয়ে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।