চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গোপনে চিকিৎসা নিচ্ছেন বাঁশখালির ডাকাতি মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানার আসামী আমিনুল হক (৫২)। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে গুরুতর আহত আমিনকে চমেক হাসপাতালে ভর্তির পর ২৬ নং ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়।
বাঁশখালীর নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, একাধিক ডাকাতি মামলার আসামী আমিনুল হক বুধবার রাতে ডাকাতি করার সময় গুরুতর আহত হন। এরপর গোপনীয়তা রক্ষার মাধ্যমে সকালে তাকে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। আরেকটি সূত্রের দাবি, খানখানাবাদে ইউনিয়নে ডোংরা গ্রামে গত রাতে এক নারীর শ্লীলতাহানি করতে গিয়ে আক্রমণের শিকার হন আমিনুল।
এদিকে এলাকাবাসীর অভিযোগ, একাধিক ডাকাতি মামলা ছাড়াও বাঁশখালীতে চাঞ্চল্যকর ১১ জনকে পুড়িয়ে মারার ঘটনায়ও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। কয়েকটি মামলায় পরোয়ানা থাকলেও এলাকায় তিনি প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ান। সন্ধ্যা হলেই এলাকার অধিপতি বনে যান। করেন নানা অপকর্ম।
চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার একুশে পত্রিকাকে জানান, সকাল পৌনে ৯টার দিকে আমিনুল হককে হাসপাতালে আনা হয়। তার পায়ে কয়েকটি কোপের আঘাত রয়েছে। রেজিস্ট্রার্ড খাতায় তার বাবার নাম মৃত রৌশন আলী, ঠিকানা বাঁশখালীর ডোংরা লেখা আছে।
বাঁশখালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এই ঘটনা একুশে পত্রিকার কাছে প্রথম শুনলেন জানিয়ে বলেন, আমাকে আর কেউ জানায়নি। আমি খবর নিচ্ছি। আমিনুল হকের বিরুদ্ধে ডাকাতি মামলার পরোয়ানা আছে বলে তিনি স্বীকার করেন। তবে গুরুত হয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানার এ আসামি কোথায় চিকিৎসাধীন সে ব্যাপারে জানার আগ্রহ দেখাননি ওসি সালাউদ্দিন।
ছবি : আকমাল হোসেন
একুশে/এটি