ওমর ফারুক হিমেল, দক্ষিণ কোরিয়া : শনিবার কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া। প্রাণপণ লড়ে করে দীর্ঘ ২০ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে ক্রোয়েশিয়া। কোয়ার্টারে পেনাল্টি শটে রুশদের হারায় তারা। সেই কোয়ার্টারে উপস্থিত থেকে খেলোয়াড়দের উৎসাহ দেন ক্রোয়েশিয়ার আবেদনময়ী প্রেসিডেন্ট কোলিন্ডা।
ডেনমার্কের সঙ্গে খেলা শুরুর আগ মুহূর্তে গ্যালারিতে এসে হাজির জন প্রেসিডেন্ট কোলিন্ডা। খেলার পুরোটা সময় তিনি উপস্থিত থেকে ক্রোয়েশিয়ানদের সঙ্গ দেন, উৎসাহ জোগান। খেলোয়াড়রা আন্দোলিত হন তার সরব উপস্থিতিতে।
বলাবাহুল্য, গোটা পৃথিবীর সবচেয়ে আবেদনময়ী, লাস্যময়ী প্রেসিডেন্ট কোলিন্ডা। আবেদনময়ী এ প্রেসিডেন্ট দৃষ্টি এড়াতে পারেননি বিশ্ববাসীর। গ্যালারিতে আলোকচিত্রীদের লেন্সও সব সময় খুঁজে বেড়িয়েছে কোলিন্ডাকে। সেই সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে তার বিকিনিপরা যৌন আবেদনপূর্ণ অসংখ্য ছবি-ভিডিও।
২০১৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ক্রোয়েশিয়া প্রজাতন্ত্রের প্রথম নারী দেশের চতুর্থ প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন কোলিন্ডা গ্রাবার-কিতারোভিচ। ৫০ বছর বয়সী ক্রোয়েশীয় এ প্রেসিডেন্ট এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আমেরিকায় নিযুক্ত ক্রোয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূত ও ন্যাটো কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৯৬ সালে জ্যাকভ কিতারোভিচের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন কোলিন্ডা। দুই সন্তান- মেয়ে ক্যাটারিনা (১৭) এবং ছেলে ল্যুকা (১৫)। সাবেক এই কূটনীতিক ইংরেজি, স্প্যানিশ ও পর্তুগীজ ভাষায় অনর্গল বলেন।
প্রেসিডেন্ট কোলিন্ডা ১৯৬৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন। কিন্তু ৫০ বছর বয়সে এসেও নিজের আকর্ষণীয় শারীরিক গঠন ধরে রেখেছেন তিনি। ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবন দারুণ ভারসাম্য রাখেন।
উল্লেখ্য, ১৫ জুলাই লুঝনিকি স্টেডিয়ামে দেখা যাবে কিতারোভিচের! সেটি যে হবে ক্রোয়েশিয়ার প্রথম বিশ্বকাপ ফাইনাল। ফাইনালে আসার পেছনের মূল কারিগর হিসেবে কাজ করেছেন, কোলিন্ডা। তিনি নেচেছেন, হেসেছেন, জড়িয়ে ধরেছেন কোচ থেকে শুরু সব খেলোয়াড়দের সঙ্গে। বিজয়ের পর ড্রেসিং রুমে গিয়ে খেলোয়াড়ের সাথে মাস্তি নাচের তালে আড়ালে পড়ে যান ‘প্রেসিডেন্ট’ বিপরীতে ফুটে ওঠে দেশের প্রতি, দেশের ফুটবল প্রতি প্রচণ্ড ভালোবাসা। ক্রোয়েশিয়ার ফুটবলের শিল্পীরা খুঁজে পান আটপৌরে সমর্থকের ছবি।
বিশ্বকাপ ফাইনালেও ক্রোয়েট খেলোয়াড়দের সাহস যুগিয় যাবেন আবেদময়ী, সেক্সি প্রেসিডেন্ট কোলিন্ডা।
একুশে/ওএফএইচ/এটি