মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২

সীতাকুণ্ডে আ’লীগের পথসভা বাতিল

| প্রকাশিতঃ ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৪:৫৯ অপরাহ্ন

চট্টগ্রাম: সীতাকুণ্ডে পূর্ব নির্ধারিত সমাবেশ বাতিল করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ এ সমাবেশ বাতিল করে। ইতোমধ্যে সমাবেশের জন্য সকল প্রস্তুতিও শেষ করা হয়েছে। কিন্তু পূর্ব নির্ধারিত সময়ের আগে সমাবেশ বাতিলের সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না সীতাকুণ্ডের দলীয় নেতাকর্মীরা। এ নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশার ছাপ পড়েছে। দেখা দিয়েছে ক্ষোভও।

দীর্ঘদিন ধরে সীতাকুণ্ড আওয়ামী লীগে সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা আবুল কাসেম মাষ্টারের ছেলে বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও উত্তর জেলা যুবলীগের সভাপতি আলহাজ্ব এম এ মামুনের সাথে বর্তমান সংসদ সদস্য দিদারুল আলমের বিরোধ চলে আসছে। নেতাদের মধ্যে কোন্দল মিটিয়ে নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারের উন্নয়নের বার্তা তৃণমুল পর্যায়ে পৌঁছাতে আজ সীতাকুণ্ডে আ্ওয়ামী লীগের এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এনিয়ে সীতকুণ্ডে দুই পক্ষের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। হতাহত হয়েছেন অনেকে।

সূত্রে জানাগেছে, সমাবেশে যোগদিলে লাশ পড়বে এমন হুমকির পপর সমাবেশে যেতে অপারগতা জানিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য দিদারুল আলম। এরপরই কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ সীতাকুণ্ডে তাদের পথ সভাস্থগিত করেন।

হুমকির সংবাদ পাওয়ার পরপরই ডিজিএফআইসহ সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা সীতাকুণ্ডে পৌঁছান।

এবিষয়ে সংসদ সদস্য দিদারুল আলম বলেন, আমাকে কেউ হুমকি দেয়নি। তবে লোকজনের মুখে শুনেছি আমি সমাবেশে গেলে লাশ পড়বে। সমাবেশের বিষয়ে আমি কিছু জানি না। আমি অন্য কাজে ব্যস্ত থাকায় সমাবেশে যাচ্ছি না।

উপজেলা চেয়ারম্যান এমএম মামুন পাঠক বলেন, সমাবেশ করার জন্য আমার ৭ থেকে ৮ হাজার লোক সমাবেশে যোগ দেয়ার কথা ছিল। তিনিতো (এমপি দিদার) জনবিচ্ছিন্ন, তার কোন লোকজন নেই। তাই তিনি মিথ্যা হুমকির কথা বলে সমাবেশ বন্ধ করেছেন।

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ সালাম বলেন, কেন সীতাকুণ্ডের পথসভা কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে স্থগিত করা হয়েছে। হুমকির ব্যাপারে আমি কিছু জানিনা।

পুলিশের পক্ষ থেকে এধরনের হামলার কোন অভিযোগ নেই। সীতাকুণ্ড থানার দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, সমাবেশকে ঘিরে সবধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে পুলিশ। তবে হামলার হুমকি সম্পর্কে থানায় কেহ অভিযোগ করেননি।