২৭ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬, বুধবার

চট্টগ্রামের চার নেতার সঙ্গে কী নিয়ে হাসাহাসি প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০১৯, ১১:১২ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম : রোববার (২৪ ফেব্রুয়ারি) কর্ণফুলীর নিচ দিয়ে সুড়ঙ্গসড়ক এবং লালখানবাজার থেকে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ-কাজের উদ্বোধন করতে চট্টগ্রাম এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দুটি মেগাপ্রকল্পের উদ্বোধনের পাশাপাশি পতেঙ্গায় সুধী সমাবেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী।

এ উপলক্ষে বাংলাদেশে বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইটে রোববার সকাল ১১ টায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। মন্ত্রী, এমপি, মেয়রসহ চট্টগ্রামের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে রিসিভ করতে সকাল ১০ টা থেকেই অপেক্ষা করছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বিমান থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গে রানওয়ের একেবারে সামনের দিকে এগিয়ে যান আনোয়ারা থেকে নির্বাচিত সাংসদ ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, পটিয়া থেকে নির্বাচিত সাংসদ, সরকারদলীয় হুইপ সামশুল হক চৌধুরী, কোতোয়ালী থেকে নির্বাচিত সাংসদ শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এবং চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। প্রধানমন্ত্রীকে একযোগে সালাম ও অভিবাদন জানান তারা।

এসময় প্রধানমন্ত্রী ও চারনেতার হাস্যোজ্জ্বল মুহূর্তের ভাইরাল হওয়া একটি ছবি নিয়ে গত দুদিন ধরে ব্যাপক আলোচনা চট্টগ্রামের রাজনৈতিক মহলে। প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় প্রধানের সঙ্গে চার নেতার এমন প্রাণোচ্ছ্বল, জীবন্ত ছবিটি দলের নেতাকর্মীদের মাঝে প্রাণচাঞ্চল্যের পাশাপাশি তৈরি করেছে কৌতূহলও।

কেন এই হাস্যোজ্জ্বল, এই স্মরণীয় মুহূর্তের অবতারণা-তার কারণ অনুসন্ধানে উঠে এসেছে প্রধানমন্ত্রীর অভিভাবকসুলভ মিষ্টিময় কথা।

জানা গেছে, বিমান থেকে নেমেই প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের চারনেতার কাধে কাধ মেলানো অবস্থান দেখে খুশি হন। এসময় একটু মজা করেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, আর কোনো গুঁতোগুতি নয়, এভাবেই মিলেমিশে থেকো সবসময়। তখনই সমস্বরে হেসে উঠেন চারনেতা। হাসলেন প্রধানমন্ত্রীও। এভাবেই তৈরি হওয়া হাসির ফোয়ারাটি অজান্তে ক্যামেরাবন্দী হয়ে যায়।

এই হাস্যোজ্জ্বল ছবির কারণ জানতে চাইলে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন সোমবার রাতে একুশে পত্রিকাকে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিমান থেকে নামার পর আমরা রিসিভ করতে যাই। সবাই সালাম দিই। তিনি আমাদের কুশল জানতে চান। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে এমনিতেই আমরা আপ্লুত, আনন্দিত। তখনই প্রধানমন্ত্রী কী যেন একটা বলেছিলেন মজা করে। তাতেই স্বতঃস্ফূর্ত হাস্যোজ্জ্বল পরিস্থিতিটি তৈরি হয়ে যায়। অভ্যর্থনা জানানোর সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কুশল বিনিময় ছাড়া তেমন কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানান মেয়র।

মঙ্গলবার রাতে সরকার দলীয় হুইপ সামশুল হক চৌধুরী একুশে পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমরা চারজনকে একসাথে পেয়ে মিলেমিশে থাকার উপদেশ দেন। এক নেতাকে লক্ষ্য করে উপদেশটা তিনি একটু মজা করেই দিয়েছিলেন। তাতেই হাস্যোজ্জ্বল পরিস্থিতি। প্রধানমন্ত্রীকে আমরা আশ্বস্ত করেছি। মিলেমিশে আছি, থাকবো আপনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধভাবে।’

একুশে/এসআর/এটি