রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ১ পৌষ ১৪২৬

তাকী উসমানীর উপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়েছেন হেফাজত আমীর

প্রকাশিতঃ শনিবার, মার্চ ২৩, ২০১৯, ১:২৬ পূর্বাহ্ণ

মো. আলাউদ্দীন, হাটহাজারী : পাকিস্তানের শীর্ষ আলেম আল্লামা তাকী উসমানীর উপর সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফী।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, ইহুদি খ্রিস্টান সন্ত্রাসীরা মুসলমানদের পঙ্গু করে দেয়ার জন্য শীর্ষ উলামায়ে কেরামের উপর হামলা করছে। মুসলমান যেন নেতৃত্বশূন্য হয় এই টার্গেট নিয়ে তারা সামনে আগাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় আল্লামা তাকী উসমানীর উপর হামলা চালানো হয়েছে। ভবিষ্যতে এমন ষড়যন্ত্র আরো হতে পারে বলে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

শুক্রবার হেফাজত আমিরের কার্যালয় থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে আল্লামা শফি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিগত সপ্তাহে জুমার নামাজ চলাকালীন নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে নূরে খ্রিস্টান সন্ত্রাসী হামলা এবং পাকিস্তানের আল্লামা তাকী উসমানীর আজকের আক্রমণ একই সূত্রে গাঁথা।

বিগত দিনেও আততায়ীর গুলিতে পাকিস্তানের অনেক বড় বড় উলামায়ে কেরাম শহীদ হয়েছেন। তাই উম্মাহর রাহবারদের চলাচলের ক্ষেত্রে যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।

বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন, মুসলিম উম্মাহ আজ গভীর সংকটে নিমজ্জিত। ইহুদিরা ফ্রিমেসন নেমে গুপ্ত সংগঠন গড়ে তুলে মুসলমানদের শীর্ষ আলেমদের হত্যা করে যাচ্ছে। এই ষড়যন্ত্রের অপকর্ম পাকিস্তানে তুলনামূলক বেশি হয়। মুফতি নেজাম উদ্দিন শামজায়ী, মাওলানা জিয়াউর রহমান ফারুকীসহ অনেক আলেম পাকিস্তানে শহীদ হয়েছেন। আল্লাহ তা’আলা উম্মাহর আলেমদের নিরাপদ রাখুন।

একুশে/প্রেসবিজ্ঞপ্তি/এমএ/এটি

মহান বিজয় দিবস ২০১৯ উপলক্ষে একুশে পত্রিকা কর্তৃক একটি বিশেষ সংখ্যা প্রকাশের উদ্যেগকে স্বাগত জানাই। বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের পক্ষ হতে উক্ত প্রকাশনার সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাই-

বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা

একটি সুখী, সমৃদ্ধ, ক্ষুধা ও দারিদ্র স্বপ্নীল ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার এবং সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশ প্রতিষ্টার প্রত্যয় নিয়ে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ নিজস্ব উন্নয়ন কর্মসূচি এবং ২৮ টি ন্যস্ত বিভাগের বিভাগীয় কার্যক্রমের সমন্বয় সাধনসহ নিম্নবর্ণিত কার্যদি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছেঃ

১) শিক্ষা
২) স্বাস্থ্য সেবা
৩) কৃষি
৪) মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ
৫) ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প
৬) যোগাযোগ
৭) পানীয় জল ও স্যানিটেশন
৮) সমবায় ও সমাজ সেবা কার্যক্রম
৯) ক্রীড়া ও সংস্কৃতি কর্মকান্ড
১০) স্থানীয় পর্যটন
১১) আইসিটি সেক্টর উন্নয়ন এবং
১২) মানব সম্পদ উন্নয়ন ইত্যাদি।

একটি উন্নত, সমৃদ্ধ, আধুনিক ও সম্প্রীতিত মডেল জেলা হিসেবে বান্দরবানকে গড়ে তোলাই হলো আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকার-

ক্য শৈ হ্লা
চেয়ারম্যান
বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ
বান্দরবানান