রবিবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

এবার নোবেলের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ

প্রকাশিতঃ বুধবার, আগস্ট ১৪, ২০১৯, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ণ

একুশে প্রতিবেদক : সা রে গা মা পা’ খ্যাত কণ্ঠশিল্পী নোবেলের বিরুদ্ধে এবার যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। নারীদের ফেসবুকভিত্তিক পেইজ “ওমেন” এ এক নারী ছবিসহ এই অভিযোগ করেছেন

পেইজে লেখা হয়, “অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ।
দ্রুত উন্নতিতে দ্রুতই অধঃপতন।।

নারীকে ভালোবাসা যায়। ভালোবাসা শেখানো যায়। কিন্তু বিয়ের কথা বলে সেক্স করে অপমান করে ময়লার মতো ছুঁড়ে ফেলে দিতে পারার মতো শক্তি ও সামর্থ্য লাগে। সেটা পারে একমাত্র ক্ষমতাশীলরা। হঠাৎ করে যখন কেউ উপরে উঠে যায় আমরা তাকে সোনার টুকরা বলে খেয়ে গলায় ঝুলিয়ে ফেলতে চাই।

নোবেল হলো সেই একজন। যে হঠাৎ করে উঠে আসা সোনার টুকরা। একটা মেয়ের সাথে ঘটনা প্রকাশ হলো। আমরা নোবেলকে দোষ দিচ্ছি না, মেয়েকেও না। কারণ নোবেল তার উচ্চতার আসনের ক্ষমতা দেখিয়েছে আর মেয়েটা ভালোবাসার ভুল ব্যাখ্যায় পা দিয়েছে।

আসলেই কী, এটা উচ্চতা আর এটা ভালোবাসা৷ ভালোবাসায় কখনো শর্ত থাকে না যে বিয়ে করবো, সেক্স করতে দাও। বিয়ে সামাজিক দায়, সেক্স নরমাল একটা শারীরিক মৌলিক চাহিদা। এই জিনিসগুলো আমাদের বাংলার সমাজে এখনো আড়ালেই আছে৷

তাই তো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে একদল অবুঝ মেয়ে। আর লুটে খাচ্ছে একদল প্রভাবশালী ছেলেরা। এদের বিচার হবে না। হওয়ার দরকার আছে কি?

কারণ ভুল অবকাঠামো গড়া সমাজে এমন ঘটনা হতেই পারে। আমরা আজকাল পরশু মনে রাখবো তারপর ভুলে যাবো। কিন্তু এই যে মেয়েগুলো নষ্ট হচ্ছে তার কি কিছু হবে? আদৌ কিছু হয়েছে? এতো ধর্ষণের বিচার হয় না। প্রকাশ্যে হত্যার বিচার হয় না। আড়ালে সেক্স করলে কাউকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সেটার বিচার চিন্তা করা নেহায়েতই বোকামি৷

তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এগুলো প্রকাশ করার কারণ হলো আমাদের উঠতি বয়সের মেয়েদের সাবধান করা। তারা যেন, ভালোবাসা প্রেম বিয়ের ফাঁদে পা দিয়ে আর ভুল না করে। যেহেতু এই সমাজে বিবাহ ছাড়া সেক্স অবৈধ তাই প্রতিটি মেয়ের উচিত কেউ বিয়ের প্রলোভন দেখালে সাথে সাথে সরে আসা৷

আর আসতে না পারলে প্রকাশ করার দরকার নেই, ইনজয় করা। নিজের সব চাহিদা টুকে নেওয়া। এটাই হওয়ার উচিত।

এবার মূল্য পোস্ট একটা মেয়ে দিয়েছিলো সেটা নিচে দিলাম। উপরের কথাগুলো আমার মতামত। আলোচনা করুন, শেয়ার করুন। কাল যেন আপনার বোনের কান্না না দেখেন। সাবধান হোন৷

নোবেল, বাংলাদেশের লাখো মেয়ের ভালোবাসা। লাখো ছেলের আইডল।

কিন্তু একমাত্র গোপালগঞ্জবাসীরাই চিনে ওর আসল রূপ। আজ আমি আপনাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিবো ভোলাভালা চেহারার পিছে লুকিয়ে থাকা এক হিংস্র জানোয়ারের সাথে যাকে আপনারা সবাই নোবেলম্যান নামে চিনেন। আমার মত অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের মিথ্যা প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে ইজ্জত নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার উপর যদি নোবেল থাকতো, তাহলে তা এই সারাগামাপা খ্যাত মাদকাসক্ত নোবেল-ই পেতো। মাদক আর নারীর নেশায় আসক্ত নোবেলকে আজ যখন কোটি মানুষ আইডল মানে, তা দেখে আসলেই দেশের ফিউচার জেনারেশান নিয়ে খুব ভয় হয়।

মাদকাসক্ততার কারণে দুইবার রিহ্যাবে গিয়ে মাদকের নেশা থেকে কয়েকদিন দূরে ছিল। কিন্ত নারীর নেশার জন্য তো রিহ্যাব নেই। আর এটি কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে আমার মত শত শত মেয়ের জন্য।
.
নোবেলের সাথে আমার পরিচয় হয় গতবছরে, যখন আমার বয়স মাত্র ১৫। প্রেম ভালোবাসা এগুলো তত বুঝতাম না। নোবেল আমাকে বুঝতে শেখায় ভালোবাসা কী। বয়স কম থাকার কারণে ওর প্রতিটা ফাঁদে খুব সহজেই পরে যাই। এই ফাঁদে শুধু আমি পড়িনি। আমার মত আরো অনেক মেয়েই পড়েছে। মেয়েগুলো বেশিরভাগি অপ্রাপ্তবয়স্ক ছিল।

কিন্ত নোবেলের বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস সব মেয়েগুলোর দিন দিন নোবেলের জনপ্রিয়তা বাড়ার সাথে সাথে ক্রমশ কমতে থাকে। আজ আমি কিছুটা সাহস নিয়ে আসলাম। আমি ডিপ্রেশানে চলে গিয়েছি। মাঝে মাঝে নিজের জীবনটা দিয়ে দিতে মন চায়। কিন্ত আত্মহত্যা মহাপাপ বলে তা পারি না। যদিও আমার আত্মাটা নোবেল আরো আগেই মেরে ফেলেছে।
.
আপনারা সবাই ভাবছেন নোবেল এগুলো কেমনে করে? আমি যদি বলি ওর এই সকল কুকর্ম ওর বাবা-মাও জানে তাহলে বিশ্বাস করবেন? প্রত্যেকটা মেয়েকে ও ওর বাসায় নিয়ে যায় ফিজিক্যালি ইনভল্ব হওয়ার জন্য। ওর বাবা মার সাথেও পরিচয় করায় বন্ধু হিসেবে। অন্যদিকে মেয়েটাকে আশ্বাস দেয় যে বাবা মার সাথেতো পরিচয় হয়েছেই। বিয়েও করবে মেয়েটাকে। এখনতো সব করা যায়। আমিও এই ফাঁদে পা দিয়েছি।

ওর পিপাসা মিটলে ওর ওই বাবা-মার সামনেই মেয়েটাকে অপমান করে বের করে দেয়। আর ওর বাবা মা কিছুই বলে না। তাই ওর এমন হওয়ার পিছে ওর পরিবারও দায়ী!! নোবেলের নিজের একটা বোন আছে। কিভাবে সে অন্যের বোনের জীবন এভাবে ধ্বংস করে আমার জানা নেই। অনেকেই বলবেন ওর নামে কেস করতে। ওর নামে কেস করেও লাভ নেই। পুলিশ ওর বাবার পকেটে থাকে।
.
সবশেষে বলবো যে আমি জানি এই সমাজ আমাকেই খারাপ বলবে। আমি-ই গালি খাবো নোবেলের ফ্যানদের থেকে। কারণ আমাদের সমাজে সব দোষ মেয়েদেরই হয়। এই পোস্ট দিয়ে নোবেলের কিছুই হবে না এটাও আমি জানি। কিন্তু যাই হোক না হোক, আমার ভিতরের মৃত আত্মাটার কিছুটা শান্তি হবে এই জানোয়ারটাকে সবার সামনে তুলে ধরতে পারলে। ওর আসল চেহারা বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মানুষের দেখা উচিৎ। ওর মত ছেলে লাখো ছেলের আইডল হোক, এটি মেনে নেওয়া যায় না। শত মেয়ের জীবন নষ্টের কারণ কোন মেয়ের ক্রাশ হতে পারে না।
.
ওর ব্যাপারে সর্বশেষ জানলাম যে ঈদের আগের দিনও মাতাল হয়ে গোপালগঞ্জের একজনের উপরে মোটরসাইকেল উঠিয়ে দেয়। তার মানে রিহ্যাবে গিয়েও লাভ হয়নি। ও এখনো মাদক সেবন করে। আর নারীর নেশা কাটানোর জন্যতো রিহ্যাবও নেই। এই নেশা ওর কাটবে না!!
.
আপনাদের বিশ্বাস করানোর জন্য কিছু ছবি দিলাম। ছবিগুলো কিছু ও তুলেছে কিছু আমি আমার আর ওর ছবি, ওর বাসার রুমের ছবি (বিশ্বাস না হলে ওর বাসায় গিয়ে দেখে আসেন), কিউট হয়ে ঘুমিয়ে থাকার ছবিটিও দিলাম।”

প্রসঙ্গত, সারেগামাপা খ্যাত এই শিল্পী বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত তার ভালো লাগে না বলে সমালোচিত হয়েছিলেন।

তবে এসব অভিযোগ সম্পর্কে একুশে পত্রিকা থেকে    নোবেলের ব্যক্তিগত ফোন নাম্বারে কল দিলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।