শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

বিএসসি’র শেয়ার হোল্ডারদের হতাশা

প্রকাশিতঃ রবিবার, নভেম্বর ২৪, ২০১৯, ৬:০৭ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের শেয়ার ব্যবসায় যে ধস নেমেছে তা রীতিমতো হতাশায় পরিণত করেছে শেয়ার হোল্ডারদের। অনেকে এখন অলাভজনক মনে করায় এগিয়ে আসছেন না শেয়ার ব্যবসায়। হতাশা আর দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার অবস্থা।

বিএসসি’র ৪২ তম সাধারণ সভায় শেয়ার হোল্ডারদের এমন হতাশার জবাব দিলেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমান্ডার সুমন মাহমুদ সাব্বির।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার ৬টা জাহাজের জন্য ১৮ শ’ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। আমরা চাচ্ছি এই জাহাজগুলোর অংশীদার শেয়ার হোল্ডারদের করে দিতে।

শেয়ারহোল্ডারদের দাবি, বিএসসি শেয়ার হোল্ডারদের মাত্র ১০% ডিভিডেন্ট (লভ্যাংশ) দিচ্ছেন। যা যৎসামান্য। আমাদের ডিভিডেন্টের পার্সেন্টেজটা বাড়ানো দরকার। ঢাকায় বিএসসির ২৫ তলা বিল্ডিং হয়েছে। বিএসসি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ২২২ কোটি ৯৮ লাখ টাকা আয় করেছে। ১৭৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। ৫৫ কোটি ২৩ লাখ টাকা উদ্বৃত্ত আছে। কিন্তু আমাদের ডিভিডেন্ড বাড়েনি।

কবির আহমেদ নামের এক শেয়ারহোল্ডার বলেন, বিএসসি’র বহরে ইতোমধ্যে চীন থেকে ৬টি নতুন জাহাজ যুক্ত হয়েছে। আরও ১০টি নতুন জাহাজ সংগ্রহে ডেনমার্ক ও চীনের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে। সব কিছু যদি ঠিক থাকে আর আমাদের দিকটি যদি ঠিক না থাকে শেয়ার মার্কেট বাড়বে না। তাই অন্তত ৫০% ডিভিডেন্ড আমরা চাই।

কামাল উদ্দিন আহমেদ নামে আরেক শেয়ার হোল্ডার বলেন, বিএসসি একটি প্রধানতম প্রতিষ্ঠান। বিএসসি পরিচালকরা ৫২% ডিভিডেন্ড পচ্ছেন আর শেয়ার হোল্ডাররা পাচ্ছেন ৪৮% শেয়ার। আমরা চাই আমাদের ডিভিডেন্ড বাড়ানো হোক।

জবাবে বাংলাদেশের শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অর্থায়নে ৬টা জাহাজ আমরা ১৮ শ’ কোটি টাকা দিয়ে কিনেছি, আমরা জাহাজগুলোর মালিকানায় শেয়ার হোল্ডারদের অন্তর্ভুক্ত করতে চাচ্ছি। আমাদের পুঞ্জিভূত লোকসান আছে ১৬৯ কোটি টাকা। আমাদের ঋণগুলো পরিশোধ হয়ে গেলে তখন আমরা ডিভিডেন্ট বাড়াতে পারবো।

একুশে/জেএইচ/এটি