শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২

নিজেরদের ঢোল পেটাল ম্যাক্স হাসপাতাল

| প্রকাশিতঃ ১০ ডিসেম্বর ২০১৯ | ৭:২৬ অপরাহ্ন


চট্টগ্রাম : ম্যাক্স হাসপাতালের বিরুদ্ধে সংবাদ মাধ্যমে বিভ্রান্তিমূলক ও মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে দাবি করে নিজেদের ঢোল পেটালেন ম্যাক্স হাসপাতালের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক ডা. লিয়াকত আলী খান।

মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) জিইসি মোড়ের একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।

লিখিত বক্তব্যে ডা. লিয়াকত আলী খান বলেন, গর্ভাবস্থায় শিশুমৃত্যুর ব্যাপারে ম্যাক্স হাসপাতালকে দায়ী করা হয়েছে। এই ঘটনার সাথে ম্যাক্স হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ন্যূনতম সম্পর্ক নেই। মামলার বাদী ইউসুফ আলম মাসুদের স্ত্রী শারমীন আক্তার চমেক হাসপাতালের গাইনি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আফরোজা ফেরদৌসের অধীনে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। গত ১ ডিসেম্বর নিয়মিত চেকআপে ডা. আফরোজার চেম্বারে আসেন। চিকিৎসক রোগীর সার্বিক অবস্থা স্বাভাবিক দেখে প্রেগন্যান্সি প্রোফাইল তৈরির নির্দেশ দেন। ডাক্তারের পরামর্শে ডা. এইচএম রাকিবুল হকের নিকট আলট্রাসনোগ্রাফি করান শারমিন। পরবর্তীতে আলট্রাসনোগ্রাফি রিপোর্ট নিয়ে ডা. আফরোজাকে দেখালে সব কিছু ঠিক আছে বলে জানান।

তিনি বলেন, পরবর্তীতে রোগী অসুবিধাবোধ করলে ডা. আফরোজার সঙ্গে কোনোরকম যোগাযোগ না করে গত ৩ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে শারমিন একটি মৃত বাচ্চা প্রসব করেন বলে জানা যায়। মেট্রোপলিটন হাসপাতালের চিকিৎসক প্রায় ৬ ঘণ্টা আগে বাচ্চা মারা যাওয়ার কথা জানিয়েছেন। তাছাড়া জরায়ু থেকে বাচ্চার মাথা বের করা অবস্থায় ছিল।

চট্টগ্রামে অনেক হাসপাতাল থাকতে কেন ম্যাক্স হাসপাতালের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. লিয়াকত আলী বলেন, হয়তো মহল বিশেষের কোনো উদ্দেশ্য থাকতে পারে বা অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে। চট্টগ্রামের প্রতিটি হাসপাতালে প্রায়ই কোনো না কোনো রোগী মারা যান। কিন্তু ম্যাক্স হাসপাতালে ছোট ঘটনা ঘটলেই সেটাকে বেশি হাইলাইটস করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএমএ চট্টগ্রামের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মুজিবুল হক খান ও সাধারণ সম্পাদক ডা. ফয়সাল ইকবাল চৌধুরী প্রমুখ।

একুশে/জেএইচ/এটি