শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২

চট্টগ্রামে আইটি পার্কের নির্মাণকাজ শীঘ্রই শুরু হবে – প্রতিমন্ত্রী পলক

| প্রকাশিতঃ ১৭ ডিসেম্বর ২০১৬ | ২:০৫ অপরাহ্ন

ctgচট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া থানার কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ১৪ একর জমির ওপর আইটি পার্কের নির্মাণকাজ শীঘ্রই শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। শনিবার সকালে চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়ামের জিমনেশিয়াম হলে লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং মেলার উদ্বোধন করতে এসে তিনি এই ঘোষণা দেন।

প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, চট্টগ্রাম থেকে ডিজিটাল যোদ্ধা তৈরি করতে আমরা বাকলিয়ায় ১৪ একর জমির ওপর একটি আইটি পার্ক স্থাপন করতে যাচ্ছি। খুব শীঘ্রই এই পার্কের নির্মাণকাজ শুরু হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে আইটি ভিলেজ স্থাপন করা হবে। পর্যায়ক্রমে আরও ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে আইটি পার্ক স্থাপন করা হবে। আইটি পার্ক স্থাপন শেষ হলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে চট্টগ্রামের ৫০ হাজার তরুণের কর্মসংস্থান হবে।

তিনি বলেন, তরুণদের কর্মসংস্থান যাতে দেশে হয়, সেজন্য সারা দেশে ২৮টি আইটি পার্ক করা হবে। বাকলিয়ায় আইটি পার্ক বাস্তবায়ন হলে বিশ্বের নাম্বার ওয়ান আউট সোর্সিংয়ের শহর ভারতের ব্যাঙ্গালোরের মতো হবে চট্টগ্রামও। চট্টগ্রামে এমন অনেক ফ্রিল্যান্সার আছে যাদের মাসিক আয় ১ হাজার ডলারেরও বেশি। একটা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার জন্য, একটা ডিজিটাল ইকোনোমি গড়ার জন্য ৪টি পিলার দরকার। ডিজিটাল সরকার, কানেক্টিভিটি, দক্ষ মানব সম্পদ ও সফটওয়্যার ইন্ডাষ্ট্রি।

মেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে একটি তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এখন তা ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করছেন। চট্টগ্রামে আইটি পার্ক হচ্ছে- এটি এই অঞ্চলের মানুষের জন্য অনেক বড় পাওয়া। এটি বাস্তবায়ন হলে হাজার হাজার তরুণের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক সামসুল আরেফিনের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ওয়াসেকা আয়েশা খান, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার রুহুল আমীন, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক এস এম আশরাফুল ইসলাম, সাংসদ ওয়াসিকা আয়েশা খান, রবি আজিয়াটা লিমিটেডের ক্লাস্টার মার্কেট ডিরেক্টর নাজির আহমেদ, চীফ কর্পোরেট এন্ড পিপল অফিসার মতিউর ইসলাম নওশাদ প্রমুখ।