শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২

ইন্টারনেট চালু হওয়ায় চট্টগ্রাম বন্দরে গতি ফিরছে

| প্রকাশিতঃ ২৪ জুলাই ২০২৪ | ৫:৩১ অপরাহ্ন


চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম বন্দর ও অফডকে পণ্য জট সৃষ্টি হলেও পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। ইন্টারনেট সেবা সীমিত পরিসরে চালু হওয়ায় বন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে গতি ফিরছে। ব্যবসায়ীরা এখন আমদানি ও রপ্তানির সকল পণ্য খালাস করতে পারছেন।

তবে শিপিং এজেন্টদের কাছ থেকে ডিউ না পাওয়ায় কিছু ব্যবসায়ী মাল খালাস করতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেছেন। এ বিষয়ে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কারো পে অর্ডার ও চালান না থাকলে অঙ্গীকারনামা নিয়ে মাল খালাস করতে দেওয়া হচ্ছে।

চট্টগ্রামের ১৯টি অফডকে রপ্তানি পণ্যবাহী প্রায় পাঁচ হাজার কন্টেইনার জমে আছে। এর পাশাপাশি তৈরি পোশাক কারখানাগুলো থেকে নতুন কোনো রপ্তানি পণ্য গত কয়েক দিনে অফডকে আসেনি।

বন্দর চেয়ারম্যান কমডোর এম সোহায়েল জানিয়েছেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানবাহন চলাচল শুরু হওয়ায় এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাস্টমসে কিছু পণ্যের শুল্কায়ন ম্যানুয়ালি করতে শুরু করায় অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। কিন্তু পুরো স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরতে আরও এক সপ্তাহের মত সময় লাগতে পারে।

বেসরকারি কন্টেইনার ডিপো মালিকদের সংগঠন বিকডা’র সদস্য সচিব রুহুল আমিন সিকদার জানান, দৈনিক ৭০০-৮০০ টিইইউএস রপ্তানি পণ্যের কন্টেইনার কারখানা থেকে ডিপোগুলোতে আসে। সার্বিক পরিস্থিতির কারণে রপ্তানি পণ্যের নতুন কোনো কন্টেইনার গত কয়েকদিনে ডিপোতে পৌঁছাতে পারেনি।

তিনি বলেন, যত দ্রুত কাস্টমসের শুল্কায়ন প্রক্রিয়া ডিজিটালি করা সম্ভব হবে এবং তৈরি পোশাক পণ্য রপ্তানির জন্য আমরা অফডকে পাব, তত দ্রুত গতিতে জাহাজীকরণের সব প্রক্রিয়া শেষ করার চেষ্টা করব। তবে তখন বন্দরে চাপ বাড়বে। তাই স্বাভাবিক গতিতে শুল্কায়ন ও পণ্য আনা-নেওয়া শুরু হলে তারপর সবকিছু আবার আগের পর্যায়ে ফিরতে ৭-৮ দিন সময় লাগতে পারে।

ব্যবসায়ীরা এখন আমদানি ও রপ্তানির সকল পণ্য খালাস করতে পারছেন বলে দাবি করেছেন চট্রগ্রাম কাস্টমস হাউজের উপ কমিশনার ইমাম গাজ্জালী। তিনি বলেন, কাল (মঙ্গলবার) পর্যন্ত ম্যানুয়ালি পচনশীল মাল শুল্কায়ন করেছি। আজ (বুধবার) ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পরিষেবা চালু হওয়ায় সকল কার্যক্রম স্বাভাবিক হচ্ছে।