
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ‘শহীদ জুলাই দিবস’ পালিত হয়েছে।
বুধবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এ সভায় বক্তারা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণ করে বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত) সুজন চন্দ্র রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভা শুরু হয় কোরআন, গীতা ও ত্রিপিটক পাঠের মাধ্যমে। পরে জুলাই শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা জুলাই আন্দোলনের ইতিহাস ও শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন। তারা বলেন, এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই ‘ফ্যাসিস্ট’ শাসনের অবসান ঘটে এবং বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশের পথে অগ্রযাত্রা শুরু হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি মো. সাফায়াত ও তাইজুল ইসলাম বলেন, “শহীদ আবু সাইদ ভাই আমাদের শিখিয়ে গিয়েছেন কিভাবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়। আমরা জীবন বাজি রেখে স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটিয়ে নতুন বাংলাদেশের সূচনা করতে পেরেছি। আমরা সবাই মিলে বৈষম্যহীন একটি রাষ্ট্র গড়ে তুলতে চাই।”
সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও সুজন চন্দ্র রায় বলেন, “শহীদ আবু সাইদসহ আন্দোলনে অংশ নেওয়া ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের রক্তের বিনিময়ে আমাদের একটি নতুন বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন। এই দেশ আমাদের সকলের। তাই বৈষম্যহীন একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমাদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।”
সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা তনয় তালুকদার, দীঘিনালা থানার ওসি মো. জাকারিয়া, উপজেলা প্রকৌশলী মো. ফজলুল হক, উপজেলা ইসলামী মিশনের ফিল্ড সুপারভাইজার মো. আব্দুল হালিম, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. সোহেল রানা, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম শফি, জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক মো. আক্কাস আলী এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাজমুল হোসেন।